1. info@www.durjoynews24.com : দূর্জয় নিউজ ২৪ :
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত খোয়াসাগর দিঘির পশ্চিম পাড়ে ভিন্ন তফসিলে হবে ডিসি পার্ক হার পাওয়ার প্রকল্পের প্রশিক্ষণ নিয়ে লক্ষ্মীপুরে নারী উদ্যোক্তা হচ্ছেন ২৬৫ জন মায়ের কোলে ফিরেছে চুরি হওয়া শিশু ওহি লক্ষ্মীপুরে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় পিঠা উৎসব শুরু লক্ষ্মীপুরে ফসলি জমির টপসয়েল ইটভাটায় বিক্রির দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষকদের এগিয়ে আসতে হবে: লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক লক্ষ্মীপুর পিডিবি থেকে বহুল আলোচিত উপ সহকারী প্রকৌশলী মশিউর রহমানকে অপসারণ উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না দেওয়ার সিদ্ধান্ত লক্ষ্মীপুরে গভীর রাতে শীতার্ত মানুষের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিলেন পুলিশ সুপার

গনমাধ্যম এর একটাই প্রশ্ন,এলাকাবাসীর একটাই দাবী রাণীনগর-কালীগঞ্জ, আদমদিঘী-আবাদপুকুর এই দুই রাস্তার কাজ-কবে শেষ হবে।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে

হুমায়ুন আহমেদ
ষ্টাফ রিপোর্টার
নওগাঁর রাণীনগর -আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ আঞ্চলিক মহা সড়কের কাজ দীর্ঘ তিন বছরেও শেষ হয়নি। দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তার কাজ বন্ধ থাকায় ভরা বর্ষা মৌসুমে খানা খন্দকে ভরপুর হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে মঙ্গলবার হাতিরপুল নামক সেতুতে ফাটল ধরায় মালবাহী ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে এলাকার লাখ লাখ মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ হচ্ছে না। কবে নাগাদ শেষ হবে এই রাস্তার কাজ ?এমন ভাবনা যেন সাধারণ মানুষকে ব্যকুল করে তুলেছে।জানাগেছে,নওগাঁর রাণীনগর-আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়কটি ছিল এলজিইডি’র আওতায়। সড়কে অতিরিক্ত যান বাহন চলাচল এবং দীর্ঘ এলাকা জুরে মানুষের জীবন মান উন্নয়নের লক্ষে গত চার বছর আগে এলজিইডি থেকে সড়ক জনপদ বিভাগে হস্তান্তর করা হয়। এই সড়কটি নওগাঁ থেকে রাণীনগর এবং রাণীনগর থেকে আবাদপুকুর-কালীগঞ্জের মধ্য দিয়ে নাটোরের সিংড়ার ঢাকা ও রাজশাহী মহা সড়কের সাথে মিলিত হয়েছে। এ ছাড়া বগুড়ার আদমদিঘী -আবাদপুকুর এর রাস্তাটি একই অবস্থা, সব সময় ভারী যানবাহন চলাচল করছে এর মধ্যে অনেক ভয়াবহ দূরঘটনা ঘটেছে,রাস্তাটি প্রসস্ত্য এবং মজবুত পাকাকরনের জন্য গত ২০১৮ সালে টেন্ডার দেয়া হয়। দীর্ঘ ২২ কিলোমিটার রাস্তা এবং ২৬টি কালভার্ট ও চার টি সেতু নির্মানে মোট ব্যয় ধরা হয় ১০৫ কোটি টাকা। রাস্তা,কালভার্ট ও সেতু নির্মানে সময় দেয়া হয় ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারায় সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদাররা একের পর এক অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন করতে থাকেন। স্থানীয়রা বলছেন,এখন পর্যন্ত রাস্তার কেবলমাত্র কার্পেটিং তুলে কোন রকমে রোলার দিয়ে ফেলে রাখা হয়েছে।নওগাঁ-রানীনগর- আবাদপুকুর- কালিগন্জ ও আদমদিঘী-আবাদপুকুর-কালিগন্জ এই দুইটি রাস্তা দীর্ঘ দিন এমন অবস্থায় পরে থাকায় রাস্তা জুরে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বৃষ্টির পানি জমাট হয়ে অনেক জায়গায় হাঁটু কাদায় পরিনত হয়েছে। ফলে যান বাহন চলাচল করছে অত্যন্ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এ ছাড়া গত তিন বছর অতিবাহিত হলেও এপর্যন্ত কালভার্ট এবং সেতু নির্মান কাজ শেষ করতে পারেনি। অধিকাংশ সেতু-কালভার্ট ভেঙ্গে কাজ না করেই ফেলে রাখা হয়েছে। ফলে পার্শ্ব রাস্তা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। গত প্রায় ৫/৬ মাস ধরে রাস্তার কাজ একদম বন্ধ থাকায় হতাশায় পরেছেন এলাকাবাসি। রাস্তার এমন বেহাল দশার অযুহাতে পরিবহন মালিকরা দফায় দফায় ভাড়া বৃদ্ধি করছেন। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন পথচারীরা। এদিকে কাজের ধীর গতির কারণে গত বছর সাংবাদিকদের কাছে এলাকাবাসীর দূর্ভোগের কথা তুলে ধরে স্থানীয় এমপি ইসরাফিল আলম চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছিলেন। এরপর কাজের কিছু তোর জোর শুরু হলেও করোনা ভাইরাসের কারণে আবারও কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর এখনো কাজ শুরু হয়নি। এমপি ইসরাফিল আলম গত মাসের ২৭ তারিখে মারা যাওয়ায় এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও চলমান কাজ নিয়ে একদম হতাশায় পরেছেন এলাকাবাসি। নওগাঁ-রানীনগর-আবাদপুকুর-কালিগন্জ রাস্তার যাত্রী নাহিদ হোসেন,মকলেছুর রহমান,আবু হাসান আবুল কালাম আজাদ, লরেল,কালীগন্জের আসলাম খন্দকার সহ কয়েকজন চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত তিন বছর ধরে আমরা ভোগান্তি পোহাচ্ছি। ভারী মালা মাল পরিবহন,জরুরী রোগী নিয়ে রাস্তায় চলা চল করা অত্যন্ত কষ্ট সাধ্য হয়ে পরেছে। এছাড়া আদমদিঘী-আবাদপুকুর-কালীগন্জ কিছু এলাকাবাসী আব্দুল মজিদ খন্দকার, ফরিদুল,নাজমুল,রতন ইন্জিনিয়ার, আরো অনেক গনমাধ্যম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এলাকার অভিভাবক এমপি বেঁচে থাকতে তাগিদ দিয়েও রাস্তার কাজ শেষ হয়নি। এখনতো তিনি বেঁচে নেই, তাগিদ দেয়ার মানুষও নেই! কবে নাগাদ শেষ হবে এই রাস্তার কাজ একমাত্র আল্লাহই ভাল জানেন। এলাকাবাসীর দূর্ভোগ লাগব করতে তারা দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ঠদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুল হক বলেন,করোনা ভাইরাসের প্রভাবে এবং লকডাউনের কারণে লেবার সংকট এবং মালপত্র না পাওয়ায় ঠিকাদার ঠিকমত কাজ করতে পারেনি। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে এবং চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো খবর

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: : ইয়োলো হোস্ট